এর মধ্যে ভিড়ের মধ্যে একটা মেয়ে চলে গেল। রোগা হিলহিলে চেহারা। কিন্তু বুক দেখলে মরা পুর
ুষের বাঁড়া খাড়া হয়ে উঠবে। রকেটের মতো মাই – হাঁটার তালে তালে দুলছে। অমিতের উত্তেজনা বেড়ে গেলো বহুগুণ।
অবশেষে মেট্রোর ভিড়ের মধ্যে থেকে নন্দিনীকে আবিস্কার করলো। মেয়ের হাত ধরে আসছে। সেই ভোরে বহরমপুর থেকে এসে এত দৌড় ঝাঁপ করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে এত খাটাখাটি করে বলেই এই বয়সেও শরীর টাইট আছে।
যাই হোক, দমদম মেট্রো ষ্টেশন থেকে তিন জন মিলে নাগেরবাজারের অটো ধরলো। শীতের রাত – তাই অমরের নন্দিনীর ঘনিষ্ঠ হয়ে বসতে অসুবিধা নেই। চাদরের ফাঁক দিয়ে বাঁ হাত গলিয়ে নন্দিনীর বুকে হাত দিলো অমর। নন্দিনীও একটু এগিয়ে বসলো
যাতে অমরের সুবিধা হয়। ৩৬’ সাইজের টাইট বুকজোড়া অভিজ্ঞ পুরুষের স্পর্শে ফুলে উঠতে লাগলো। নারী সংসর্গের অভিজ্ঞতা থেকে অমর জানে যে নারীদের বিছানার জন্যে সময় নিয়ে তৈরী করতে হয়। হাল্কা চালে সে নন্দিনীর স্তনাগ্রে সুরসুরি দিতে থাকলো। মাঝে মাঝেই অমর দুই স্তন ব্রা শুদ্ধু তুলে ধরতে থাকলো। এতে নন্দিনীর বিপদ বাড়লো বই কমলো না। এদিকে স্তন দুটো সাইজে বড় হয়ে ফেটে পড়ছে – ও দিকে যোনি ভেসে যাচ্ছে কাম রসে। জাঙ্গিয়া না পরাতে কাম রস ধীরে ধীরে থাই ছাড়িয়ে সায়া ভেজাতে শুরু করলো।
নাগেরবাজারে অটো থামতেই অমর সবাইকে নামিয়ে ভাড়া দিয়ে দিল। তখন রাত নটা বাজছে। বাড়িতে রান্নার প্ল্যান ছিল নন্দিনীর;
অমর চাইল না একদম। সময়ের শ্রাদ্ধ। অমরের টার্গেট নন্দিনীর মেয়েকে পেট পুরে খাইয়ে দেওয়া যাতে ও তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। এই জন্যে রেষ্টুরেন্টে ঢুকেই অমর গাদাখানিক চাইনিজ খাবারের অর্ডার দিল। কথা বলতে বলতে অমর নন্দিনীর মেয়েটাকে প্রচুর খাওয়ালো। সে ও কোন সকাল থেকে অভুক্ত আছে। খেল প্রচুর।
খাওয়া মিটতে মিটতে রাত দশটা। কাছেই ওদের ফ্ল্যাট। চার তলায় ফ্ল্যাটে ঢুকে অমর দরজা ভালো করে তালা দিল। নিজের ঘরে গিয়ে জামা কাপড় ছেড়ে লুঙ্গি পরে নিলো। পাশের ঘরে মা মেয়ে নাইটি পরে শোবার তোড়জোড় করছে। মেয়ে যখন বাথরুম গেল, নন্দিনী এসে একটা মশার ধুপ লাগাতে এলো অমরের ঘরে। অমর সরাসরি নাইটির ওপর দিয়ে স্তনে হাত দিতেই নন্দিনীর চোখ বুজে গেলো। অমরের অন্য হাতে যোনির বাল টানাটানি করছে। মেয়ে বাথরুম থেকে বেরোনর সঙ্গে হাত ছাড়িয়ে নন্দিনী চলে গেল নিজের ঘরে। অমর অল্প বয়সী মেয়ের চেয়ে বিবাহিত মেয়ে বেশি পছন্দ করে। ১, ২বছর এর বিবাহিত মহিলাদের চুদে অনেক মজা, ওদের স্বামীরা চুদে, কচলে বেশ লদলদা বানিয়ে দেয়। বিবাহিত মেয়েরা চুদতে জানে, চোদাতে ও জানে। এই রকম টসটসা মাল। মাছ লাফ দিয়ে জালে উঠেছে, ছাড়া ঠিক হবে না।
ক্লান্ত হয়ে মেয়েটা ঘুমানোর পরেও সাবধানী নন্দিনী বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলো। বিয়ের পর স্বামীকে মনে হত জাদুকর, শরীরটা নিয়ে কি আনন্দ দিত, দলাই মলাই করে একবার-দুবার চুদত, মনে হত আরো আগে বিয়ে করা উচিত ছিলো। পরে বুঝলো স্বামীটি একটি বোকাচোদা। এক দিন চুদে আবার এক মাস গ্যাপ।
রাত বাড়ার সঙ্গে চারিদিক নিঝুম হয়ে গেল। বাইরে খস খস শব্দ। পা টিপে টিপে নন্দিনী ঢুকলো। অমর এই মুহুর্তের অপেক্ষায় ছিল। নাইটিটাকে নন্দিনীর কোমরের উপর তুলিয়ে দিয়ে দুজনে গভীর চুম্বনে ডুবে গেল। অমরের হাত চলে গেলো নন্দিনীর পিঠে। অমর নন্দিনীর ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই ওর নাইটির তলা দিয়ে ওর ভরাট বুকে হাত দিল, নন্দিনী একটু কেঁপে উঠল, ওর বুকের ফুল দুটি ফুটে উঠেছে পরাগ মিলনের আকাঙ্খায় উন্মুক্ত। দুই বগলে এক ঝাঁক বাল। অমর ঠোঁট থেকে ওর ডানদিকের ফুলের মধু পান করতে আরম্ভ করল, নন্দিনী আস্তে আস্তে ওর নাইটিটাকে মাথার ওপর দিয়ে খুলে ফেলে দিল অমর ওর মুখের দিকে না তাকিয়েই বাঁদিকেরটায় মুখ দিল। ডানদিকের ফুলের পরাগ ফুলে ফেঁপে বেদানার দানার মত রক্তিম, অমর নিজেকে স্থির রাখতে পারছিলনা, অমর ওর বেদানার দানায় দাঁত দিল, এই প্রথম নন্দিনী উঃ করে উঠল, কি মিষ্টি লাগছে ওর গলার স্বর, যেন কোকিল ডেকে উঠল। হাত তুলে নিয়ে অমর নন্দিনীর বাহুমূলের কেশরাজির মধ্যে চুমো দিতেই মাগি ছটপটাতে শুরু করলো। অমর ওর বুক থেকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামল, সুগভীর নাভী, ওর শরীর থেকে মুখ না সরিয়েই নাভীর ওপর জিভ দিয়ে বিলি কাটল, নন্দিনী কেঁপে কোঁপে উঠল অমর ওর মুখ দেখতে পাচ্ছিল না, নিস্তব্ধে অমর খেলা খেলে চলেছে। ও নন্দিনী মাথার চুলে হাত রাখল, আস্তে আস্তে বিলি কাটছে, আর অমর ওর সুগভীর নাভীর সুধা পান করছিল। ওঃ কি নরম, শিমুল তুলাকেও হার মানায়। মাঝে মাঝে হাতটা দুষ্টুমি করার জন্য পাছু ফুটোতেও চলে যাচ্ছে। নন্দিনীর শরীরে বসন্তের বাতাস। দুলে দুলে উঠছে। অমর ওকে জড়িয়ে ধরে ওর দুধ, পাছা কচলাতে লাগল। অমর ওকে চুমু খেতে খেতে কানের কাছে মুখ নিয়ে জিগ্গেস করল, তোকে চুদি? ও নন্দিনী ধোনটা ধরে কাছে টানলো, নন্দিনী ব্লাউস, ব্রা খুলে পুরা উলঙ্গ হয়ে শুয়ে রইলো। অমর অল্প বয়েসে যেভাবে চুমো খেত সেভাবে চুমু খাওয়া see more: (সমস্যা হলে skip add ক্লিক করে ভিতরে প্রবেশ কর)
অবশেষে মেট্রোর ভিড়ের মধ্যে থেকে নন্দিনীকে আবিস্কার করলো। মেয়ের হাত ধরে আসছে। সেই ভোরে বহরমপুর থেকে এসে এত দৌড় ঝাঁপ করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে এত খাটাখাটি করে বলেই এই বয়সেও শরীর টাইট আছে।
যাই হোক, দমদম মেট্রো ষ্টেশন থেকে তিন জন মিলে নাগেরবাজারের অটো ধরলো। শীতের রাত – তাই অমরের নন্দিনীর ঘনিষ্ঠ হয়ে বসতে অসুবিধা নেই। চাদরের ফাঁক দিয়ে বাঁ হাত গলিয়ে নন্দিনীর বুকে হাত দিলো অমর। নন্দিনীও একটু এগিয়ে বসলো
যাতে অমরের সুবিধা হয়। ৩৬’ সাইজের টাইট বুকজোড়া অভিজ্ঞ পুরুষের স্পর্শে ফুলে উঠতে লাগলো। নারী সংসর্গের অভিজ্ঞতা থেকে অমর জানে যে নারীদের বিছানার জন্যে সময় নিয়ে তৈরী করতে হয়। হাল্কা চালে সে নন্দিনীর স্তনাগ্রে সুরসুরি দিতে থাকলো। মাঝে মাঝেই অমর দুই স্তন ব্রা শুদ্ধু তুলে ধরতে থাকলো। এতে নন্দিনীর বিপদ বাড়লো বই কমলো না। এদিকে স্তন দুটো সাইজে বড় হয়ে ফেটে পড়ছে – ও দিকে যোনি ভেসে যাচ্ছে কাম রসে। জাঙ্গিয়া না পরাতে কাম রস ধীরে ধীরে থাই ছাড়িয়ে সায়া ভেজাতে শুরু করলো।
নাগেরবাজারে অটো থামতেই অমর সবাইকে নামিয়ে ভাড়া দিয়ে দিল। তখন রাত নটা বাজছে। বাড়িতে রান্নার প্ল্যান ছিল নন্দিনীর;
অমর চাইল না একদম। সময়ের শ্রাদ্ধ। অমরের টার্গেট নন্দিনীর মেয়েকে পেট পুরে খাইয়ে দেওয়া যাতে ও তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। এই জন্যে রেষ্টুরেন্টে ঢুকেই অমর গাদাখানিক চাইনিজ খাবারের অর্ডার দিল। কথা বলতে বলতে অমর নন্দিনীর মেয়েটাকে প্রচুর খাওয়ালো। সে ও কোন সকাল থেকে অভুক্ত আছে। খেল প্রচুর।
খাওয়া মিটতে মিটতে রাত দশটা। কাছেই ওদের ফ্ল্যাট। চার তলায় ফ্ল্যাটে ঢুকে অমর দরজা ভালো করে তালা দিল। নিজের ঘরে গিয়ে জামা কাপড় ছেড়ে লুঙ্গি পরে নিলো। পাশের ঘরে মা মেয়ে নাইটি পরে শোবার তোড়জোড় করছে। মেয়ে যখন বাথরুম গেল, নন্দিনী এসে একটা মশার ধুপ লাগাতে এলো অমরের ঘরে। অমর সরাসরি নাইটির ওপর দিয়ে স্তনে হাত দিতেই নন্দিনীর চোখ বুজে গেলো। অমরের অন্য হাতে যোনির বাল টানাটানি করছে। মেয়ে বাথরুম থেকে বেরোনর সঙ্গে হাত ছাড়িয়ে নন্দিনী চলে গেল নিজের ঘরে। অমর অল্প বয়সী মেয়ের চেয়ে বিবাহিত মেয়ে বেশি পছন্দ করে। ১, ২বছর এর বিবাহিত মহিলাদের চুদে অনেক মজা, ওদের স্বামীরা চুদে, কচলে বেশ লদলদা বানিয়ে দেয়। বিবাহিত মেয়েরা চুদতে জানে, চোদাতে ও জানে। এই রকম টসটসা মাল। মাছ লাফ দিয়ে জালে উঠেছে, ছাড়া ঠিক হবে না।
ক্লান্ত হয়ে মেয়েটা ঘুমানোর পরেও সাবধানী নন্দিনী বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলো। বিয়ের পর স্বামীকে মনে হত জাদুকর, শরীরটা নিয়ে কি আনন্দ দিত, দলাই মলাই করে একবার-দুবার চুদত, মনে হত আরো আগে বিয়ে করা উচিত ছিলো। পরে বুঝলো স্বামীটি একটি বোকাচোদা। এক দিন চুদে আবার এক মাস গ্যাপ।
রাত বাড়ার সঙ্গে চারিদিক নিঝুম হয়ে গেল। বাইরে খস খস শব্দ। পা টিপে টিপে নন্দিনী ঢুকলো। অমর এই মুহুর্তের অপেক্ষায় ছিল। নাইটিটাকে নন্দিনীর কোমরের উপর তুলিয়ে দিয়ে দুজনে গভীর চুম্বনে ডুবে গেল। অমরের হাত চলে গেলো নন্দিনীর পিঠে। অমর নন্দিনীর ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই ওর নাইটির তলা দিয়ে ওর ভরাট বুকে হাত দিল, নন্দিনী একটু কেঁপে উঠল, ওর বুকের ফুল দুটি ফুটে উঠেছে পরাগ মিলনের আকাঙ্খায় উন্মুক্ত। দুই বগলে এক ঝাঁক বাল। অমর ঠোঁট থেকে ওর ডানদিকের ফুলের মধু পান করতে আরম্ভ করল, নন্দিনী আস্তে আস্তে ওর নাইটিটাকে মাথার ওপর দিয়ে খুলে ফেলে দিল অমর ওর মুখের দিকে না তাকিয়েই বাঁদিকেরটায় মুখ দিল। ডানদিকের ফুলের পরাগ ফুলে ফেঁপে বেদানার দানার মত রক্তিম, অমর নিজেকে স্থির রাখতে পারছিলনা, অমর ওর বেদানার দানায় দাঁত দিল, এই প্রথম নন্দিনী উঃ করে উঠল, কি মিষ্টি লাগছে ওর গলার স্বর, যেন কোকিল ডেকে উঠল। হাত তুলে নিয়ে অমর নন্দিনীর বাহুমূলের কেশরাজির মধ্যে চুমো দিতেই মাগি ছটপটাতে শুরু করলো। অমর ওর বুক থেকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামল, সুগভীর নাভী, ওর শরীর থেকে মুখ না সরিয়েই নাভীর ওপর জিভ দিয়ে বিলি কাটল, নন্দিনী কেঁপে কোঁপে উঠল অমর ওর মুখ দেখতে পাচ্ছিল না, নিস্তব্ধে অমর খেলা খেলে চলেছে। ও নন্দিনী মাথার চুলে হাত রাখল, আস্তে আস্তে বিলি কাটছে, আর অমর ওর সুগভীর নাভীর সুধা পান করছিল। ওঃ কি নরম, শিমুল তুলাকেও হার মানায়। মাঝে মাঝে হাতটা দুষ্টুমি করার জন্য পাছু ফুটোতেও চলে যাচ্ছে। নন্দিনীর শরীরে বসন্তের বাতাস। দুলে দুলে উঠছে। অমর ওকে জড়িয়ে ধরে ওর দুধ, পাছা কচলাতে লাগল। অমর ওকে চুমু খেতে খেতে কানের কাছে মুখ নিয়ে জিগ্গেস করল, তোকে চুদি? ও নন্দিনী ধোনটা ধরে কাছে টানলো, নন্দিনী ব্লাউস, ব্রা খুলে পুরা উলঙ্গ হয়ে শুয়ে রইলো। অমর অল্প বয়েসে যেভাবে চুমো খেত সেভাবে চুমু খাওয়া see more: (সমস্যা হলে skip add ক্লিক করে ভিতরে প্রবেশ কর)

No comments:
Post a Comment